মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বাল্য বিবাহ রোধ

বাল্যবিবাহ বন্ধে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার- মেহের আফরোজ চুমকি, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়


প্রকাশন তারিখ : 2015-11-11

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, নারীর ড়্গমতায়নে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে একটি মডেল রাষ্ট্র। কিন্তু এদেশে শিশু বিবাহ লজ্জাজনক। যে করে হোক আমাদের শিশু বিবাহ রোধ করতে হবে। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে দুইটি লড়্গ্যমাত্রা অর্জনকে সামনে রেখে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। একটি হচ্ছে পথ শিশুদের পুনর্বাসন করা এবং অন্যটি হচ্ছে শিশু বিবাহ প্রতিরোধ করা। তিনি বলেন, যে দেশ নয় মাসে  অর্জন করতে পারে সে দেশ শিশু বিবাহ রোধ করতে পারবে না তা হতে পারে না। সামাজিক উন্নয়নের অন্যান্য সূচকের মত শিশু বিবাহ প্রতিরোধে বাংলাদেশ অবশ্যই সফল হবে। তিনি আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে পস্নান ইন্টারনেশনাল আয়োজিত এশিয়া চাইল্ড মেরিজ ইনিশিয়েটিভ বিষয়ক গবেষণা পত্রের ফলাফলের উপর আলোচনার উপর প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং শিশুর প্রতি সবরকমের সহিংসতা প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশী আনত্মরিক। আর এজন্যে শিশু রাজন ও রাকিব হত্যার বিচার দ্রম্নততম সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। পস্নান ইন্টারনেশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডাইরেক্টর সিনেট গেব্রেটজিয়াভার (Senait Gebregziabher) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. প্রফেসর মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ.আ.ম.স আরেফিন সিদ্দিকী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাই কমিশনার বেনয়েট-পাইরি লারামি (Benoit-Pierre Laramee) এবং ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি আরজেন্টিনা পিন্টো মাটাভেল পিকসিন (Argentina Pinto Matavel Piccin)|

ড. প্রফেসর মিজানুর রহমান বলেন, গবেষণায় দেখা যায় বাল্যবিবাহ কুফল সম্পর্কে পাকিসত্মানের চাইতে বাংলাদেশের মানুষ বেশী সচেতন। কিন্তু পাকিসত্মানের তুলনায় বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের পরিমান বেশী। এতে প্রমানিত হয় আমরা যা বলি তা করি না, আর যা করি তা চিনত্মাও করি না। সকল সিমাবদ্ধতা সত্ত্বেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মানুষের মানবাধিকার রড়্গায় আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে। নাছিমা বেগম এনডিসি বলেন, দেশের সবকটি উপজেলার টিএনও, ওসি এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া আছে যেখানেই বাল্য বিবাহ হবে তা বন্ধে তাৎড়্গণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রিদের বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। এ লড়্গ্যে মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। উলেস্নখ্য, বাংলাদেশ, পাকিসত্মান এবং ইন্দোনেশিয়ায় শিশু বিবাহ পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা এবং তুলনামূলক বিশেস্নষণের জন্য পস্ন্যান ইন্টারনেশনাল বাংলাদেশ, পাকিসত্মান এবং ইন্দোনেশিয়া একটি গবেষণা সংস্থা পরিচালিত করে। গবেষণায় দেখা যায় বাংলাদেশ, পাকিসত্মান ও ইন্দোনেশিয়ার গ্রামাঞ্চলে বিশেষ করে মেয়েদের ড়্গেত্রে বাল্যবিবাহের হার বেশ উদ্বেগজনক। সমীড়্গায় দেখা গেছে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের মেয়ে শিশু সহ অন্য সকলের বাল্যবিবাহ এলাকাবাসী, মেয়ের বাবা-মা এবং এমনকি মেয়ে শিশু নিজে সমর্থন করছে। তিন দেশের মধ্যে বাল্যবিবাহের ড়্গেত্রে সর্বনিম্ন হার রয়েছে পাকিসত্মানে। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে ৩৪.৮% মেয়ের বিয়ে হয়ে যায় এবং ১৫ বছর বয়স হওয়ার আগে ১৫.২% মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। পাকিসত্মানে ছেলেদের ড়্গেত্রে শিশু বিবাহের হার ১৩% এবং এই হার যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ইন্দোনেশিয়ার জরিপে অংশগ্রহণকারী ৩৮% বিবাহিত মেয়েদের ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। আর ছেলেদের ড়্গেত্রে এই হার ৩.৮%। বাংলাদেশের জরিপে মেয়েদের মধ্যে বাল্যবিবাহের A¯^vfvweK উচ্চ হার খুঁজে পাওয়া গেছে। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই ৭৩% মেয়ের বিয়ে যায়, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সেই ২৭% মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। অন্যদিকে জরিপ এলাকায় ছেলেদের ড়্গেত্রে এই হার ২.৮%।

 

(মোহাম্মদ আবুল খায়ের)

জনসংযোগ কর্মকর্তা

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ফোন ঃ ৯৫৪৫২২৫, মোবাইল ঃ ০১৭১৬-০৬৬৮৮৮

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter